
অপসারণের ব্যবস্থা করা যেত এবং আমাদের মাছ উৎপাদনে সুবিধা হতো।
স্থানীয় মৎস্য চাষি ফুয়াদ সরদার বলেন, আমার বাড়ির পাশে এই হ্যাচারি হওয়া সত্ত্বেও আমরা এখান থেকে পোনা কিনতে পারি না। কারণ এখানে পানির কারণে উৎপাদন বন্ধ থাকে। যদি এখান থেকে পোনা পাওয়া যেত তাহলে সরকারি দামে কিনতে পারতাম। এতে আমাদের গাড়ি ভাড়াও অনেকটাই কমে আসতো। আমরা চাই দ্রুত সমস্যা সমাধান করে পোনা উৎপাদন বড় পরিসরে করা হোক।
এ ব্যাপারে জানতে গোসাইরহাট মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের ব্যবস্থাপক এবং উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কাশেম বলেন, অবকাঠামোর নির্মাণগত ত্রুটির কারণে মাছের রেণু ও পোনা উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে পানির পাম্পটি নষ্ট থাকায় আমরা পর্যাপ্ত পরিমাণ পোনা উৎপাদন করতে পারছি না। এছাড়া পুকুরগুলোর গভীরতা বেশি হওয়ায় তাতেও আমাদের সমস্যা হচ্ছে। আমরা এ ব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানে উদ্যোগ গ্রহণ করবো।