Thursday 3rd April 2025
Thursday 3rd April 2025

নড়িয়া “বাক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষনের অভিযোগে যুবক কারাগারে”

নড়িয়া “বাক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষনের অভিযোগে যুবক কারাগারে”
নড়িয়া “বাক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষনের অভিযোগে যুবক কারাগারে”

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় ১৫ বছর বয়সি এক বাক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ওই ঘটনায় মো.আফজাল (৩০) নামে প্রতিবেশী এক যুবককে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। ধর্ষনের শিকার ওই কিশোরী শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে।

নড়িয়া থানা ও পরিবার সূত্রে জানা যায়,নড়িযা উপজেলার নশাসন ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা ১৫ বছর বয়সি কিশোরী বাক প্রতিবন্দী। সোমবার বিকালে তাদের বসত বাড়ির একটি ভবনের ছাদে সে (কিশোরী) খেলা করছিলো। তখন প্রতিবেশি যুবক আফজাল ওই ছাদে যায়। সেখানে কিশোরীকে একা পেয়ে ছাদের দরজা বন্ধ করে তাকে ধর্ষন করেন। পরে ওই কিশোরী ঘটনাটি পরিবারের সদস্যদের জানায়। স্বজনরা তাকে দ্রুত শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। সোমবার রাতে ওই কিশোরীর বাবা নড়িয়া থানায় ধর্ষনের অভিযোগে আফজালের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।
পুলিশ সোমবার রাতে নশাসন থেকে আফজালকে গ্রেপ্তার করেছেন। মঙ্গলবার তাকে আদালতের মাধ্যমে শরীয়তপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের মহিলা ওয়ার্ডে (সার্জারি) গিয়ে দেখা যায়,ওই কিশোরীর চিকিৎসা চলছে। সাথে তার মা হাসপাতালের শয্যায় বসে আছেন। তিনি (কিশোরীর মা) বলেন,আমার মেয়ে কথা বলতে পারেনা। তাই বাড়ির বাহিরে ওকে একা যেতে দেই না। বাড়ির ছাদে খেলতে গেলে পাশের বাড়ির আফজাল মেয়ের সাথে জবরদস্তি করে। এভাবে নিজেদের বাড়ির ছাদে মেয়ে ধর্ষনের শিকার হবে তা কখনো ভাবতে পারিনি।

শরীয়তপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক রোকসানা বিনতে আকবর দৈনিক রুদ্রবার্তাকে বলেন,মেয়েটির পরিবার বলেছেন সে ধর্ষনের শিকার হয়েছে। আমরা সে অনুযায়ী চিকিৎসা দিয়েছি। ধর্ষনের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার জন্য বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। ওই সকল আলামত ও নমুনার ফলাফল আসলে ধর্ষনের বিষয়টা নিশ্চিত ভাবে বলা যাবে।

নড়িয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম উদ্দিন দৈনিক রুদ্রবার্তাকে বলেন, সোমবার এক বাক প্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষনের অভিযোগে মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষনের শিকার ওই কিশোরী সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা ওই ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষা করার পরে তদন্ত কাজ শুরু করবেন।