
গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ইং তারিখে নড়িয়া উপজেলার পাচক গ্রামে সকাল ৯ টায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে অনাকাঙ্খিত ঘটনার জের ধরে হিরণ মকদমের বসতঘর লুটপাট ও আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে একই গ্রামের নাসির মকদম এর ছেলে নজরুল ইসলাম মকদমের অনাকাঙ্খিত মৃত্যুর ঘটনাকে ভিন্ন প্রবাহের লক্ষ্যে পূর্ব বিরোধ উদ্ধারের জীন উদ্দেশ্যে নাসির মকদমের হুকুমে কানু সরদার গং পরিকল্পিত ভাবে সন্ত্রাসী দলবল নিয়ে বেআইনী ভাবে আমার স্বামীর বসত বাড়ীতে অনাধীকার প্রবেশ করে এলোপাথাড়ি ভাংচুর লুটপাট শুরু করে ঘরে থাকা ৪৬ ভরি স্বর্ণালংকার লুটকরে নিয়ে যায়। আমার স্বামী ও দুই ভাসুর বিদেশ থাকে। এই স্বর্ণালংকার অধিকাংশেই বিদেশ থেকে পাঠানো। স্বর্ণালংকার ছাড়াও নগদ ২ লক্ষ টাকা, ২ টি ল্যাপটপ, ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা, ৫৬ ইঞ্চি এলইডি টিভি মূল্য ৮৫ হাজার টাকা নিয়ে যায়। এরপর সন্ত্রাসী আসামীরা আমাদের ঘরে থাকা সকল আসবাবপত্র টেলিভিশন, মাইক্রোওভেন, ফ্রিজ, ১টি হাইসং ১২৫ সিসি মোটরসাইকেল এলোপাথাড়ি ভাবে পিটিয়ে ভাংচুর করে প্রায় ৮ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি সধন করে। লুটপাট শেষে বর্গীয় কায়দায় নাসির মকদমের স্ত্রী জোতি বেগমের নির্দেশে আমার স্বামীর পশ্চিম ভিটার বসত ঘরটির চতুরদিকে কেরোসিন ছিটিয়ে দিলে অন্যান্য আসামীরা আগুন লাগিয়ে দেয়।
মুহুর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখায় আমার স্বামীর বসত ঘরটি সহ পাশ্বের টিনের গুদাম ঘরটিও পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘরের মধ্যে থাকা লেপ তোষক, কাপড়-চোপড় ও ভিসা লাগানো পাসপোর্টসহ মূল্যবান দলিলপত্র পুড়ে ভস্মিভূত হয়ে যায়।
এই ঘটানায় নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, আমারা ফাইনাল রিপোর্ট দেয়ার পর আবার ডিবি তদন্ত করে রিপোর্ট দেয় সেই রিপোর্ট এর ওয়ারেন্ট আসামী গত শুক্রবার ৩ জনকে ও ২০ মে রবিবার ১ জনকে আটক করা হয় বলে জানান।