
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে হযরত সুরেশ্বরী (রা.)-এর ভক্ত ও অনুসারী মাদারীপুরের ৫০ গ্রামের প্রায় ৪০ হাজার মানুষ আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে রোজা রাখা শুরু করেছেন।
সুরেশ্বর দরবার শরিফের পীর খাজা শাহ সুফি সৈয়দ নূরে আক্তার হোসাইন এ বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক চাঁদ দেখা কমিটির হিসাব ও সিদ্ধান্ত মোতাবেক মঙ্গলবার মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে চাঁদ দেখা না যাওয়ায় আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে ওইসব দেশে রোজা শুরু হয়েছে।
এ কারণে গতকাল বুধবার রাতে প্রথম তারাবির নামাজ আদায় করা হয়। ভোররাতে সেহরি খেয়ে প্রথম রোজা রাখাও হয়েছে। মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের চরকালিকাপুর, মহিষেরচর, পূর্ব পাঁচখোলা, জাজিরা, বাহেরচর, কাতলা, তাল্লুক, কুনিয়া ইউনিয়নের দৌলতপুর, কালকিনি উপজেলার সাহেবরামপুর ইউনিয়নের আন্ডারচর, কয়ারিয়ার প্রায় ৪০ হাজার লোক সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রেখেছেন বলে জানা যায়।
সুরেশ্বর পীরের ভক্তদের মতে, ইসলাম ধর্মের সব কিছুই মক্কা শরিফ হয়ে বাংলাদেশে এসেছে। তা ছাড়া মক্কা শরিফ থেকে বাংলাদেশের সময়ের পার্থক্য মাত্র তিন ঘণ্টা। তাই মক্কাবাসীসহ মধ্যপ্রাচ্যের মুসলমানরা যেদিন রোজা রাখেন, তারাও সেদিন থেকে রোজা থাকেন।
তারা মনে করেন, ৩ ঘণ্টা সময়ের পার্থক্যের জন্য ২৪ ঘণ্টা পার্থক্য মানা যুক্তিযুক্ত নয়।
উল্লেখ্য, সুরেশ্বর দরবার শরিফের প্রতিষ্ঠাতা হযরত জান শরিফ শাহ সুরেশ্বরী (রা.)-এর অনুসারীরা ১৪৭ বছর আগে থেকে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা রাখেন এবং ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করে আসছেন।