
স্বাধীনতা
-খান মেহেদী মিজান
স্বাধীনতা আমার মুক্তিযোদ্ধা পিতা সস্রমহারা মাতা
স্বাধীনতা আমার স্বামীহারা ভগ্নি বীর সাহসী ভ্রাতা।
স্বাধীনতা আমার অগ্নিঝরা কলম মুক্ত কবিতার খাতা
স্বাধীনতা আমার লাখো শহীদের রক্তে এ মাটির উর্বরতা।
স্বাধীনতা আমার কৃষক-শ্রমিকের ফসল ও শ্রমের দাম
স্বাধীনতা আমার বাংলাদেশ নামক স্বপ্ন ম্যাপের নাম।
স্বাধীনতা আমার ক্লান্তি নাশীতে তৃষ্ণা মেটানো জল
স্বাধীনতা আমার শত্রু হননের মন চেতনায় অবিচল।
স্বাধীনতা আমার নয়মাসের ইতিহাস বীলত্ব গৌরবগাথা
স্বাধীনতা আমার রবী-নজরুলের প্রেরণার গন-কবিতা।
ভালবাসা পুরনো হয়না
-এ এইচ নান্নু
সাত সকালে ঘুম দেখি তোমার-
ডাগর দুটি চোখ রংধনুর মতো
পায়ে নুপুর চুলের সৌন্দর্য্য ভাঁজে ভাঁজে
দেখতে ঠিক বলগা হরিণীর মতো
হাজার লক্ষ্য পাঠকের মধ্যে তুমি আমার-
শ্রেষ্ঠ উপন্যাসের শেষ লাইনের মতো
কবিতার পান্ডুলিপি সাজিয়েছি মনের মাঝে
তুমি ঠিক রোমান্টিক কবিতার মতো
আমি নাকি তোমার কাছে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ কবি
নিজেকে ধন্য মনে করি বিশ বৃক্ষের মতো
যতদিন তোমাকে কাছে পেয়েছি শালুক তুলেছো
আমি ছিলাম রাইতে ফোটা শালুকের মতো
সেদিনও হাতের স্পর্শে বকুল ফুলের গন্ধ পেয়েছি
ছোঁয়াটা ছিলো জীবনের শ্রেষ্ঠ ইতিহাসের মতো
তোমার যৌন চাহিদা মিটে যায় জোর পূর্বক
বলেছিলে অবলা নারীর মতো
গায়ের বসন খুলে ফেলা হয় আমার অমতে
তাৎখনিক মনে হয় ধর্ষনের মতো
যখন তখন দেহভোগের নেশায় মেতে ওঠে
শেষ ভুলের প্রায়শ্চিত্তের মতো
দেহ ভোগ করলে পুরনো প্রেম গর্জে ওঠে
তবুও পরে থাকি অপমৃত্যু লাশের মতো
প্রথম প্রেমটা আজ মনে হয় বেঁচে আছে
বাঘের খাঁচায় বন্দির মতো
কখনো জেগে ওঠতে পারে মনের আকাশে প্রেম
মেঘে চমকানো বিজলীর মতো।
চিরঞ্জীব মুজিব
-সব্যসাচী নজরুল
সোনার বাংলা মাগো তোর
সোনার ছেলে কই
আমায় তুই বলনা মা আজ
কোথায় রইল কই?
কাল শকুনির কালো থাবা
আজো তোর পরে
নরঘাতক তোর ছেলে কে
মারলো কেমন করে!
মা তুই বুক ভাসাইস না
অঝোর নেত্র জলে
সদা জাগ্রত আমরা যে মা
তেজোদৃপ্ত বলে।
চিরঞ্জীব মুজিব তোর বুকে
ঘুমাক পরম সুখে
বঙ্গবন্ধু চিরভাস্বর র’বে মা
সবার মুখে মুখে।
ধন্য বাংলা
-সুধাংশু কুমার দাশ
সুন্দর এই বাংলার ভূমি
সুন্দর এর আলো বাতাস,
সুন্দর এই বাংলার বারি
সুন্দর এর শূন্য আকাশ।
সুন্দর এই বাংলার গাছ
সুন্দর এর ফুল ও ফল,
সুন্দর এই বাংলার মাটি
এখানে ফলে সোনার ফসল।
সুন্দর এই বাংলার ভাষা
সুন্দর এই বাংলার গান,
এই বাংলার মায়ের কোলেতে
জন্মেছে কত মানব মহান।
ধন্য এই বাংলা পিতা
ধন্য এই বাংলার মা,
ধন্য এই পিতা মাতার হৃদয়ে
সন্তানের জন্য শত বাসনা।
ধন্য এই বাংলার ভাই
ধন্য এই বাংলার বোন,
ধন্য সেই আজ মহান মানব
দেশের সুখে যে দেয় জীবন।
ধন্য এই বাংলার কৃষক
ধন্য বাংলার কৃষকের কাজ,
ধন্য এই বাংলার পাখি
গন করে সে সকাল সাঝ।
বাংলার ভূমি ধন্য আজি
রক্ষা করে বাংলার মান,
বাংলার ভূমি ধন্য আজি
বাংলা আমার জন্মস্থান।
প্রবাশী জীবন
-শেখ জিয়াউল হক
মনের মত জীবন যাত্রায় আয় আননে
দুর্গম পথে বিষন্নতায় অভি ভাষনে
ধার দেনার বোঝা পরিপক্তে মাথার উপরে
সহায় সম্বল ঘটিবাটি বিক্রি করে
বহু কষ্টে যদিও পৌছায় সেই দেশে
দুই বছরে কিছুই হয়নি ভাবছিলো যাহা বসে
সুখ স্বাচ্ছন্দের আশায় অর্থ করিয়া অর্জনে
ভীন দেশে গড়তে চেয়েছিলো মনরঞ্জনে
তাদের জন্য তারাই ভালো করে গাড়ি বাড়ি
যাদের জন্য বর্তমান সরকার কাজের যোগাড়ী
বাকিরা সব চড়কী কলে চক্রান্তের জাঁলে
জীবন নামের চলন্ত গাড়ি এমন কপাল পোড়া
ভাগ্যটাকে কোন ভাবে যেন লাগছে না জোড়া
তিন বছর কাটলো তাহার উপরী মারপিটে
পাঁচ বছরে ঠিকমতো খাবার পরে নাই পেটে
তাহার পরে ঐ পুলিশ দিলো পাঠিয়ে
চোরাই ভিসায় ভুলের মাশুল কাটিয়ে
১৯৭২ বঙ্গাব্দে যিনি ফিরলেন দেশের টানে
ক্ষুদ্র থেকে বিশ্বখ্যতি করেন প্রতিষ্ঠানে
বিনা মূল্যে একমাত্র বড় সহায়তা প্রদানে
বিপদগামী দেশে ফিরছে হয়ে মৃত পথযাত্রী
ব্রাক ব্যাংক ভাবে বেশি, কি যে করছে বেপারি
এমনি করেই চলে প্রবাসী জীবন-যাপন
আবার কিছু ফিরছে জড়িয়ে মরন কাফন।
স্যারকে ভালোবেসে
-রুদ্র মো: সাকিব মিঞা
সুপ্রিয়–হে মহান
স্যার খান মেহেদী রহমান মিজান
স্বর্গের শান্তি
মতের কবি–মানবতার শিক্ষক
তুলনা আপনার নেই
আপনার মতো এতো আপন শিক্ষাগুরু
আর তো কোথাও নেই।
আপনার দুনয়নে—ছাত্রছাত্রীর উন্নয়নে
কাজ করে সাদা
অন্যায়কে প্রশ্রয় না দিয়ে সু-লক্ষ্যে যান নিজ স্বার্থের কথা রেখে অহেতুক গাথা।
জীবন যাক সুখে আপনার
সুভ হউক পথচলা
আমার কাছে চিরকাল থাকবেন আপনি
শ্রদ্ধা ভালোবাসা…
হয়ে ফুলের মালা।
লজ্জার হাসি
-এ এইচ নান্নু
তোমাকে দেখলে লাগে লজ্জা
হাসিটা যেনো ফুল সয্যা
উন্নয়নে হয়নী উন্নয়ন মানবতা
ধর্মভিরু মানুষের চরিত্র ধর্মান্ধতা
ভালবাসার ধর্ম ফেরৎযোগ্য নয়
মনের দামে মালা বদল হয়
শিক্ষাই জাতির চরিত্র পাল্টায়
দুর্নীতিই মানুষের ভোল উল্টায়
ডালের পাখি নির্ভর করে পাখা
অনিশ্চিত মনে হয় বৃক্ষের শাখা
চেয়ে থেকে লাভ নাই
আগে নিজের পায়ে দাড়া
শিশু থেকেই শুরু নিজেকে গড়া
কিছু থাকলে কিছু পায় জীবনে
ভাঙ্গা গড়ার খেলায় মেতে ভুবনে
যৌবন যার রক্ষা তার করতেই হবে
বৃদ্ধ বয়সে সুখের আশা তবে
হারিয়ে গেছে যাহা খুজলে তাহা
পাবেনা তবুও বলো কেনো আহা!
মাটির পিঞ্জিরায় একটাই পাখি
চলে যাবেই দিয়ে তোমায় ফাঁকি
বন্যায় যেমন প্রাণ খুজে
কষ্ট শুধু বন্যার্তরাই বোঝে।