শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২০ ইং, ৩০শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২৪শে জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী
শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২০ ইং

মানিক মানবিকের কাব্যগ্রন্থ “কোথাও তো কেউ নেই”

মানিক মানবিকের কাব্যগ্রন্থ “কোথাও তো কেউ নেই”

কবিতা অথবা কবিতা নয়;
কবিতা হবার নিয়ত চেষ্টা-
দিনমান অব্যাহত রয়।
কবিতা আসলে কি!
কবির বিবেচ্য নয়…
এরকম সরল অভিব্যক্তিতে শত কবিতার প্রাঞ্জল উপস্থাপন করেছেন তরুণ কবি মানিক মানবিক তাঁর কোথাও তো কেউ নেই কাব্যগ্রন্থে। গত অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৯ এ প্লাটফর্ম পালিকেসন্স থেকে প্রকাশিত এই বইয়ে লিখিত প্রতিটি পঙতি মূলত লেখকের ব্যক্তিগত ভাব ও অনুভুতির প্রকাশ। এই অনুভুতি জুড়ে আছে প্রেম-বিরহ-কাম; পাওয়া না পাওয়ার চিরায়িত আকাঙ্খা ও বেদনা। অত্যন্ত সহজ সরল ছন্দ এবং অকপট ভাব প্রকাশিত হয়েছে এই গ্রন্থের প্রতিটি কবিতার প্রতিটি ছত্রে। যারা বিমূর্ত ও দুর্বোধ্য কবিতা পছন্দ করেন, সত্যি বলতে এই বইটি তাদের জন্য নয়। অতি বোদ্ধা কিংবা রাশভারী পাঠক এই লেখা পড়ার চেষ্টা করলে নিরাশ হবেন বৈকি? অতএব সে চেষ্টা না করাই ভালো। এই বইটির আন্তরিক পাঠক হতে হলে আপনাকে অবশ্যই কোমল হৃদয়ের সাধারণ পাঠক হতে হবে। সিরিয়াস পাঠকদের জন্যে কোনও রসদ এই বইটিতে রাখেননি লেখক। এই বইয়ের সবগুলো লেখা তারুণ্যের তরে লিখিত, এই লেখা প্রেমের তরে উদ্ধৃত। তাই এই বই পাঠে কায়মনোবাক্যে বলা যায় “জয় তারুণ্য”
কবি মানিক মানবিক মূলত একজন চিত্রনাট্যকার ও নির্মাতা। তাঁর মতে তিনি এককালে দৈনিক পত্রিকায় কাজের সুবাদে পৃষ্ঠা ভরার জন্য কবিতা ও ছড়া লিখতেন। কিন্তু সেসব সিরিয়াস কিছু নয়; তাই সংকলনও নেই। তবে গত একবছর বা তার কিছু বেশি সময় ধরে যাপিত জীবন-যৌবন বা ঘটে যাওয়া কোন ঘটনার বিবেচনায় বিভিন্ন সময়ে ফেসবুকে লিখিত হয়েছে এই বইয়ের কবিতাগুলো। বস্তুত ফেসবুকে লেখা কবিতাগুলোর একটি মুদ্রিত সংকলন “কোথাও তো কেউ নেই” ভাষা ও আঙ্গিকে সহজবোধ্য এই গ্রন্থ তরুণ পাঠকের মনোযোগ দাবী করে। এ প্রসঙ্গে লেখক মনে করেন- লেখালেখি আসলে আনন্দ থেকে করা। সেই আনন্দ পাঠকের মাঝে সঞ্চারিত হোক। লেখকের প্রতিও শুভকামনা রইলো- তাঁর এই শুভ প্রত্যয় পূর্ণ হোক।